মঙ্গলবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

যেন এক রকস্টার, নাচলেন-মাতালেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ!

বিনোদন ডেস্ক :

অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সভায় রকস্টারের মতো নাচে-গানে উপস্থিত দর্শক-স্রোতা-অতিথিদের মাতোয়ারা করে দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

যিনি রাজনীতির মঞ্চে কথার ঝড় তোলেন, বক্তৃতায় মাঠ কাঁপান। সেই তথ্য প্রতিমন্ত্রী যে সাংস্কৃতিক মঞ্চেও ‘রকস্টার’ হয়ে নাচে-গানে মাতিয়ে তুলতে পারেন, সেটা আর একবার প্রমাণ করলেন। সাজু খাদেম ছিলেন অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক। অনুষ্ঠানের বক্তৃতা শেষে শুরু হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান।

সঙ্গীতানুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারিনের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন ডা. মুরাদ। দুজনে কণ্ঠ মেলান একসঙ্গে। গাইলেন ‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না, ফেরারি পাখিরা…’

অভাবনীয় সাফল্য, শিল্পকলার মূল মিলনায়তন মুহূর্মূহু করতালিতে ভরে গেল। দেয়ালে হতে লাগলো প্রতিধ্বনি। একজন অভিনেত্রী আরেকজন রাজনীতিক। দুজন সঙ্গীতে এসে যে পারফর্ম করলেন তাতে মুগ্ধতা বেড়ে গেল দর্শকের, সেই সঙ্গে চাহিদা। গানের অনুরোধ পেতে থাকলেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ।

এবার তিনি একা দাঁড়ালেন। কি বোর্ড, ড্রাম, প্যাড, লিড গিটার, বেজ গিটার চেক করে নিলেন। চলে এলেন মঞ্চের একেবারে সামনে, চিরপরিচিত রকস্টারের ভূমিকা অবতীর্ণ হলেন। কণ্ঠে নামলো সুর-ঐ দূর পাহাড়ের ধারে, দিগন্তেরই কাছে, নিঃসঙ্গ বসে একটি মেয়ে, গাইছে, আপন সুরে… সামনের সারির দর্শকেরা উঠে পড়েছে।

নাচের সুর শরীরকে স্থির রাখতে পারলো না… উর্মিলা শ্রাবন্তী, বিজরী বরকতুল্লাহ, সুইটি… সকলেই মিলে মঞ্চের সামনেই মেতে উঠলে নাচে। আর বাকি দর্শকদের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হতে থাকলো ‘আপন সুরে, আপন সুরে, আপন সুরে…’

নাচে গানে যখন মাতোয়ারা সবাই। তখন শুরু হলো ‘ওরে মালেকা ওরে সালেকা, ওরে ফুলবানু পারবি না বাঁচাতে…’ প্রাণ রায়, মামুন অপু বা আরো অনেক শিল্পীই উঠে এসেছেন মঞ্চে। মন্ত্রীকে ঘিরে শুরু করে দিয়েছেন নাচ।

যেন এক সুরের লহরী ঘুরছে মিলনায়তনেরে ঘরে। রীতিমতো একজন ব্যান্ডের মূল ভোকালিস্ট হয়ে উঠেছেন ডা. মুরাদ কিংবা একজন রকস্টার।

ক্লান্থিবিহীন কণ্ঠে এবার চড়লো আজম খানের বিখ্যাত বাংলাদেশ গান। ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে, জন্মে ছিল একটি ছেলে মা তার কাঁদে, ছেলেটি মরে গেছে, হায়রে হায় বাংলাদেশ… বাংলাদেশ…’ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার দেয়ালে দেয়ালে ইটে ইটে ছড়িয়ে পড়লো ‘বাংলাদেশ…’

রকস্ট্রিট নামে একটি ব্যান্ড দলও আছে রকস্টার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের। নিজেই জানালেন সে কথা। সেই ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট তিনি। প্রতিমন্ত্রী এটাও জানালেন, এই নাট্যশালায় নিজের দলের কনসার্ট করবেন।

যদিও কিছুদিন আগে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে ডা. মুরাদকে গাইতেও দেখা গিয়েছিল।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০