শনিবার ৩০শে মে, ২০২৬ ইং ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

দেশে একদলীয় শাসন চালুর পায়তারা চলছে

আকাশবার্তা ডেস্ক :

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, দেশে এখন গণতন্ত্র নেই। বর্তমান সরকার যেভাবে নির্বাচন করে যাচ্ছে, আগামীতেও এভাবে নির্বাচন করে যদি গ্রহণযোগ্য করাতে পারে, তাহলে গণতন্ত্র রুদ্ধ হয়ে যাবে। তখন একজন নেতা থাকবেন, তিনি আজীবনই নেতা থাকবেন। একটি মাত্র দল থাকবে, তারা চাইলে শোভা’র জন্য কিছু পাপেট দল তৈরী করে রাখতে পারবে। নির্বাচনের পরিবর্তে সব কিছুই সিলেকশনে হবে। কখনো নির্বাচন হলে সুপ্রিম লিডারের নির্দেশেই হবে। দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালুর পায়তারা চলছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সহ-সভাপতি খন্দকার দেলোয়ার জালালী উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী ও পেশাদার সংগঠনসহ সব কিছুই এখন সিলেকশনের দিকে চলে গেছে উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এবং ডাক্তারদের সংগঠনও সিলেকশনের দিকে যাচ্ছে। দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালুর পায়তারা চলছে। দেশে একজন নেতা ও আজীবনের জন্য নেতা থাকবেন। জনগণের কোনো অধিকার থাকবে না, তারা প্রজা হিসেবে চাকরের মত বিবেচিত হবে। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে শুধু রাজনৈতিক দল নয়, জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দুটি কাজ সরকার সাফল্যের সঙ্গে করতে পেরেছে। একটি হচ্ছে, মানুষের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করতে পেরেছে। জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ে কথা বলতে পারছে না। নির্যাতন, নিষ্পেষণ এবং কঠোরভাবে দমনের ভয়ে মানুষ সরকার বিরোধী কর্মকান্ডে যোগ দিতে আতংকিত। দ্বিতীয় হচ্ছে, মানুষের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করতে পেরেছে। তিন মাস দেশ বন্ধ ছিল, কিন্তু আন্তর্জাতিক কিছু সমর্থনের কারণে সরকার টিকে গেছে। এ কারণে সাধারণ মানুষ মনে করে, অন্দোলন করে কোনো ফল হবে না। এই দুই বিষয় থেকে মানুষকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে হবে। জনগণের সক্রিয় সমর্থন ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলো কিছুই করতে পারবে না।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১