নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরনেয়ামত গ্রামের ৬০ একর জমির উপর ৮-১০টি মৎস, ডেইরী, পোল্টি খামার ও নার্সারীসহ জনবসতিপুর্ণ এলাকায় একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ইটভাটা পুননির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
চরনেয়ামত গ্রামের উত্তর পার্শ্বে জনবসতি ও খামার বাড়ির মাঝখানে মো. নুরুল ইসলাম মাঝির (সিরাজ চেয়ারম্যানের ব্রিকফিল্ড) ইটভাটা কয়েক বছর আগে বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ওই সময় খামারের আশপাশের এলাকার মানুষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন ইটভাটাটি বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি সাস ব্রিকসের পক্ষে নুরুল ইসলাম মাঝি ব্রিক ফিল্ডের জন্য মাটি সংগ্রহ শুরু করে। এতে মৎস খামারী, পোল্ট্রি খামার, ডেইরী ও নার্সারী মালিকরা আতংকিত হয়ে পড়েন। তাদের প্রায় ২০০ কোটির টাকার প্রজেক্ট লোকসানের মুখে পড়বে এ ইটভাটা চালু হলে।
এছাড়া স্থানীয় জনবসতিপুর্ণ এলাকা ও লম্বাখালী প্রাইমারী স্কুল ব্রিক ফিল্ডের ১০০ গজের মধ্যে হওয়ার ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ব্রিক ফিল্ডটি চালুর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নেই।
স্থানীয় এলাকাবাসী মহিউদ্দিন, মৎস ও পোল্ট্রি খামারী গোলাম কিবরিয়া, জসিম উদ্দিন ও মো. শাহজাহান ইটভাটা স্থাপন না করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে রামগতি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কোন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় স্কুল ও মৎস খামার, পোল্ট্রি খামার ও নার্সারী এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র দেয়না। আর স্কুল এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের চেষ্টা করা হলে আমি প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নিব।