বিশেষ প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জিরতলী ইউনিয়নে মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষিকা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ঘটনার তিনদিন পরও এরসাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। গত মঙ্গলবার রাত ১০টায় মাদরাসা থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ওই শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ করা হন। তিনি উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্ধা এবং ওই মাদরাসার হাফেজিয়া বিভাগের শিক্ষক।
জানা যায়, বেগমগঞ্জের খাতুনে জান্নাত মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষিকা কুরআনের হাফেজা (১৫) তার মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে মাদরাসা থেকে রাতে বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা হন। এরপর যানবাহনের জন্য জমাদার বাড়ির সামনে রাস্তায় অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় তাকে জোরপূর্বক পাশের নির্জন বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে একদল স্থানীয় বখাটে।
ঘটনার প্রায় একঘণ্টা পর এলাকাবাসী খবর পেয়ে ধর্ষণের শিকার কুমারী মেয়েকে উদ্ধার করে জিরতলী বাজারে নিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে একটি প্রভাবশালী মহল অপচেষ্টা চালায়।
ধর্ষকরা হলো, মধ্য জিরতলী গ্রামের বেপারীবাড়ির তরিক উল্লার ছেলে বাবুল (২৫), একই গ্রামের কোঁয়ারবাড়ির ইউছুপের ছেলে মোরশেদ (২৩) ও একই গ্রামের জমাদার বাড়ির সালাউদ্দিন (৩০)।
এ ব্যাপারে মাদরাসার পক্ষথেকে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। (ডায়েরি নং-২৩৬৭)।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম জানান, ভিকটিম পরিবার মামলা করতে অনিহা প্রকাশ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় এবং লোকলজ্জার ভয়ে তারা মামলা করতে চাচ্ছেনা।