আকাশবার্তা ডেস্ক :
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুরে খোরশেদ হত্যাকান্ডের ৩ মাসেও গ্রেফতার হয়নি আসামিরা। খোরশেদ আলম (২৭) উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের আমানউল্যাপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদের ছেলে।
জানা যায়, স্ত্রী ঝর্ণা বেগমের (২৪) অনৈতিক সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় খুন হয় স্বামী খোরশেদ আলম। এ ঘটনায় খোরশেদ আলমের মা ফাতেমা বেগম বাদি হয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে (নোয়াখালী) মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্ত পূর্বক এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য বেগমঞ্জ মডেল থানার ওসিকে আদেশ দেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলাটি রেকর্ড করে বিচারের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়। মামলা নং ১৬, তারিখ ১০/১১/২০১৬ইং, ধারা ৩০২/৩৪ দঃ বিঃ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, খোরশেদ হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি একই গ্রামের মোঃ ইলিয়াছের পুত্র আলাউদ্দিন। নিহত খোরশেদ আলমের স্ত্রী ঝর্ণা বেগমের অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় আলাউদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে খোরশেদকে খুন করার পরিকল্পনা নেয়। গত ১৬ অক্টোবর আলাউদ্দিন খোরশেদকে খবর দিয়ে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যায়। ওখানে আলাউদ্দিন ও তার সহোদর ভাই তাজু এবং খোরশেদের স্ত্রী ঝর্ণা বেগমসহ খোরশেদকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করে হত্যা করে। এ ঘটনার পর খুনিরা খোরশেদ আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচারণা চালায়। পরদিন খোরশেদের মৃতদেহ কাউকে না জানিয়ে গোপনে দেশের বাড়িতে নিয়ে খোরশেদের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। আসামিরা তাদের অনৈতিক কর্ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পূর্বপরিকল্পিতভাবে খোরশেদকে হত্যা করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মধুসূধন সরকার হত্যাকান্ডের মূল আসামি আলাউদ্দিন, তাজু ও ঝর্ণা বেগমকে গ্রেপ্তারে নিস্ক্রীয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে নিহত খোরশেদের মা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নোয়াখালী পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিহতের পরিবার।