বিশেষ সম্পাদকীয় :
কেমন নির্বাচন চাই? ভোটারবৃন্দ কাদেরকে নির্বাচিত করবেন? রাজনৈতিক অস্তিত্বের বাইরে একটি কার্যকর পরিষদ গঠন কী সম্ভব হবে? নির্বাচিতরা কী পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। ব্যবসায়ীরা কাকে ভোট দিবেন? যারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারবেন, তাদেরকে কী সঠিক ভাবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা সম্ভব হবে?
সমাজে প্রত্যেক মানুষ যার যার অবস্থান থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পেলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশৃঙ্খলা কম হয়।
চন্দ্রগঞ্জ বাজারকে একটি ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ উপযোগি হিসাবে তৈরী করা এবং উন্নয়ন করার পূর্ব শর্ত হচ্ছে যোগ্য ও ভালো ব্যক্তিদের নির্বাচিত করা।
নির্বাচনে ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে দায়িত্ব শেষ করাই ভোটারদের কাজ নয়। এর পরবর্তীতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজের গতি ত্বরান্বিত করতে হবে।
বৃহৎ বাজার হিসাবে চন্দ্রগঞ্জে ৮জন নৈশপ্রহরী এবং অন্ততপক্ষে ৬জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রয়োজন। এই ১৪জন স্টাপ বেতন দিয়ে পুষতে হলে ব্যবসায়ীবৃন্দ নিয়মিত বাজার চাঁদা বা ফি’ পরিশোধ অব্যাহত রাখতে হবে। নিজ নিজ দায়িত্বে ময়লা-আবর্জনা সঠিকস্থানে ফেলতে হবে। বড় বড় উন্নয়ন কাজ সরকার থেকে ভাগিয়ে আনতে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে।
শব্দ দূষণ কমাতে পূর্বঅনুমতি সাপেক্ষে বাজারে পাবলিসিটি হর্ণ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। ওয়াজ-নসিয়তসহ পারিবারিক চিলচিলাতি সম্পন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে চাঁদা আদায় সহনীয় পর্যায়ে আনতে হবে, ভিক্ষুকের উৎপাত কমাতে হবে, চুরি-ডাকাতি রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতার পাশাপাশি প্রত্যেক মার্কেট ও দোকানের সামনে পিছনে সিকিউরিটি লাইট লাগাতে হবে, ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিবাদমান বিষয় মিমাংসার জন্য রাজনৈতিক দলবাজির আশ্রয় নেওয়া বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে, প্রতি ৩ মাসে একবার ব্যবসায়ীদের নিয়ে সাধারণ সভার আয়োজন করতে হবে।
একই সাথে বাজার কমিটি বিলুপ্ত করে আইনসিদ্ধ বণিক সমিতি গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
আগামী ২৭ জানুয়ারী শনিবার চন্দ্রগঞ্জ বাজার কমিটির নির্বাচন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি সাহসী নেতৃত্ব নির্বাচিত হবেন সেই প্রত্যাশা করছি।