
মো. আলী হোসেন, তামাবিল স্থলবন্দর থেকে ফিরে :
বাংলাদেশ-ভারতের এক মধুর সম্প্রীতির সেতুবন্ধন রচনা করেছে সিলেটের মেঘালয় সীমান্তে তামাবিল স্থলবন্দর। লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্যরা প্রীতি বনভোজনে সিলেট-জাফলং সফরে যাওয়ার দ্বিতীয়দিন গত মঙ্গলবার বিকালে তামাবিল স্থলবন্দরে গিয়ে পৌঁছে। এ সময় সূর্যাস্তের পূর্বে ভারত সীমান্তে বিএসএফ সদস্যরা তাদের জাতীয় পতাকা নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। একই সময় ভারতীয় ‘বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স’ (বিএসএফ) এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) এসআর খান, বিএসএফ কমান্ডার এমই জিংগাখাই, ভারতীয় চ্যানেল জি-বাংলার রিপোর্টার মানস দা’ বর্ডার এলাকা পরিদর্শনে আসেন। সেখানে তাদের সাথে আমাদের পরিচয় এবং কুশল বিনিময় হয়।
বিএসএফের কমান্ডিং অফিসার এসআর খান আমাদের পরিচয় পাওয়ার পর নিজেই বাংলাদেশের সীমানায় এসে আমাদের ডেকে নেন ভারত সীমান্তে। সেখানে আমাদের সফর সঙ্গী সবাইকে কফি পান করান। ভারতীয়রা যে কতটা অতিথি পরায়ন তা সেদিনই ভালো ভাবে বুঝতে পারলাম। পরে দুই দেশের বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সাথে। এ সময় তারা আমাদেরকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।
তামাবিল স্থলবন্দরে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিজিবির সদস্যদের সাথেও আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। তবে ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ও মালামাল বহনকারী গাড়ি প্রবেশ করতে দেখা গেলেও আমাদের দেশ থেকে কোনো গাড়ি তাদের দেশে প্রবেশ করতে দেখিনি। বিজিবির সদস্যরা জানান, বাংলাদেশ থেকে শুধু প্রাণ কোম্পানীর বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ভারতে যায় তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে।
প্রায় ২ ঘন্টা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তামাবিল স্থলবন্দরে অবস্থানকালে যা দেখেছি, সেখানে সীমান্তে বসবাসকারী দুই দেশের স্থানীয়দের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এটি আমাদের কাছে খুব ভালো লেগেছে। আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের অন্যতম মিত্রদেশ ভারত আমাদের সাথে বৈরিতা নয় ভ্রাতৃপ্রতীম রাষ্ট্রের ন্যায় আচরণ করবে।