-
- স্বাস্থ্য
- শ্বেতি রোগের কারণ ও প্রতিকার
- আপডেট : February, 9, 2018, 6:10 am
- 467 জন পড়েছেন
স্বাস্থ্য ডেস্ক :
শ্বেতি রোগ মোটেই ছোঁয়াচে নয় এবং চিকিৎসায় এ রোগ ভালো হয়। ফারফার নামক এক ধরণের ছত্রাক শ্বেতি রোগের কারণ। শরীরের যে কোনো স্থানেই এই ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে। তবে সাধারণত মুখ, বুক, পিঠ, চোখের পাতা, হাত ও পায়ে এ রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। ছত্রাক আক্রান্ত স্থানে তৈরী করে “অ্যাজালাইক অ্যাসিড”, যা ত্বকের রং নির্ধারক উপাদান ‘পিগমেন্ট’ খেয়ে ফেলে। ফলে ওইস্থানটি সাদা বর্ণ ধারণ করে। ত্বকের এই রং পরিবর্তনকে ডাক্তারী ভাষায় বলা হয়, ‘পিটেরেসিস ভার্সিকালার’। বিবর্ণ হওয়ার পাশাপাশি চুলকানিও থাকতে পারে।
এ রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গিয়ে জানা গেছে, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ মোমিন (প্রয়াত) এ ধরণের রোগিদের একটি ক্রিম লিখে দিতেন। ক্রিমটির নাম হচ্ছে, ইলিডিল (Elidel)। এটি জার্মানির নোভার্টিস (Nobartris) কোম্পানির তৈরী। ক্রিমটির দাম বাংলাদেশে ১৪০৭ টাকা। তবে যেখানে সেখানে এই ক্রিমটি পাওয়া যায়না। ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালের পাশে বৃহত্তম ওষুধ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘লাজ ফার্মা’তে পাওয়া যায়।
ক্রিমটি ব্যবহারের নির্দেশনা হচ্ছে, এটি লাগিয়ে রোদের আলোতে যাওয়া যাবেনা। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এবং ভোর রাতে এটি ব্যবহারের উপযুক্ত সময়। আক্রান্ত স্থান গরম পানি দিয়ে ধুয়ে তারপর শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ক্রিমটি লাগাতে হয়। তবে কোনো ভাবেই আক্রান্ত স্থানের বাইরে যেন না লাগে।
Clovate নামে আরো একটি ক্রিমের নাম পাওয়া গেছে। এছাড়া শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান জানান, শ্বেতি রোগ নিরাময়ে সিলেনিয়াম সালফাইড নামক শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে। আক্রান্ত স্থানে শ্যাম্পু মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে তার পর গোসল করতে হবে। এভাবে সপ্তাহে দু’দিন ব্যবহার করলে শ্বেতি রোগ চলে যায়। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ সময় ত্বক ভেজা থাকলে শ্বেতি রোগ ফিরে আসতে পারে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশও শ্বেতির একটা কারণ। এ জন্য ঘামে ভেজা কাপড় বেশিক্ষণ পরে থাকা যাবেনা। বাইরে থেকে এসে কাপড় খুলে বাতাসে মেলে দিতে হবে। তবে তিনি বলেছেন, জন্মগত শ্বেতি রোগ ভালো হয়না।
(সংগ্রহিত) : জনস্বার্থে প্রকাশিত।
এই বিভাগের আরও সংবাদ