নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে তের বছর বয়সী এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় (আজ) বৃহস্পতিবার ভোরে দুলাল নামে এক ধর্ষককে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। অপর ধর্ষক মুকবুলকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
এরআগে বুধবার সন্ধ্যায় ভিকটিম কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় ২জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষক দুলাল (৩০) বশিকপুর ইউপির বড় রশিদপুর গ্রামের দ্বীন ইসলামের পুত্র এবং মুকবুল (৩৫) একই গ্রামের হাবিব উল্যার পুত্র।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ মঙ্গলবার ওই এলাকার ভিকটিম কিশোরী বিকাল বেলায় বাড়ির পাশের ক্ষেতের আড়ায় লাগানো গাছে পানি দিচ্ছিল। এ সময় একই এলাকার বখাটে মুকবুল ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক পাশের বাগানে নিয়ে সহযোগি দুলালসহ পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর বিষয়টি কাউকে বললে তাকেসহ পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ধর্ষকরা।
এ ঘটনার ৩দিন পর আবারো ওই কিশোরীকে একা পেয়ে কু-কর্মের জন্য ডাক দেয় মুকবুল। পরে কিশোরী দৌড়ে তার বসতঘরে চলে যায়। কিন্তু মুকবুল বসতঘরে গিয়েও তার বাবা ও ভাবীর সামনে কিশোরীকে মারধর করে তার কোলে দুলালকে বসিয়ে ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই কিশোরী পূর্বের ঘটনাটি তার অভিভাবকদের খুলে বলে। এরপর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাজপতিদের জানানোর পর বুধবার বিকালে থানায় এসে মুকবুল ও দুলালকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের বাবা।
এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. জাফর আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি মুকবুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এএইচ/এবি