আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এর কার্ডিওলজি বিভাগ ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব কার্ডিওলজি, বিএসএমএমইউ-এর উদ্যোগে এ ব্লকের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হবে। এছাড়া সকাল ১০টায় এ ব্লকের দ্বিতীয় তলার অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং একই স্থানে সকাল সাড়ে ১১টায় ‘মাই হার্ট, ইউর হার্ট’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর যুক্তরাজ্যের ইম্পিরিয়াল কলেজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দিবসটি পালন করছে বিএসএমএমইউ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ও র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএসএমএমইউ এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। বৈজ্ঞানিক সেমিনারে ‘মাই হার্ট, ইউর হার্ট’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহানারা আরজু। ‘ম্যানেজমেন্ট অব হাইপারটেনশন উয়িথ পাওয়ার অ্যান্ড প্রোটেকশন: রোল অব দ্য মাস্টার সারটান’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রায়হান মাসুম মন্ডল।
বর্তমান বিশ্বে হৃদরোগকে একনম্বর ঘাতকব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবছর ১ কোটি ৭৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় এই রোগে। আশঙ্কা করা হচ্ছে ২০৩০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২ কোটি ৩০ লাখে। অথচ হৃদরোগের ভয়াবহতার ব্যাপারে সেইভাবে প্রচারণা নেই।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শিশু এবং নারীরাই বেশি হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকে। সে কারণেই বারবার শিশু ও নারীর ওপর বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকগণ। তাদের মতে, এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে গোটা জীবন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। হার্ট সুস্থ রাখার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রতিবছর বিশ্বে মোট রোগীর মৃত্যুর মধ্যে ২৯ ভাগ হার্টের রোগে মারা যায়।