নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে স্বার্থান্বেসী কতিপয় বিপথগামী সদস্যের ধুম্রজাল সৃষ্টিতে জেলার সংবাদ কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সাংবাদিকতা পেশায় এখনও আতুর ঘরে থাকা বহিস্কৃত সভাপতির অনুগত এক নবীন সাংবাদিককে ব্যবহার করে কথিত ১২ সদস্য প্রেসক্লাব থেকে পদত্যাগ করেছে বলে কয়েকটি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিষয়টি পাঠকদের মনে বিভ্রান্তি দূর করতে চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের বক্তব্য হচ্ছে, চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাব নিজস্ব গঠনতন্ত্র মোতাবেক সুশৃঙ্খল ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। এখানে যে বা যারাই একক আধিপত্য, কর্তৃত্ব, নেতৃত্ব, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম, দুর্নীতি, সদস্যদের সাথে দূর্ব্যবহার করবে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।
ইতিমধ্যে উল্লেখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিগত ১৭ ডিসেম্বর কার্যকরী পরিষদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী আবুল কালাম আজাদকে প্রেসক্লাব থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করেন কার্যকরী পরিষদ। আবুল কালাম আজাদকে বহিস্কারের পর তার কাছ থেকে অবৈধ সুবিধাভোগি কতিপয় সদস্য প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ওই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিতায় দুইজন সিনিয়র সদস্যের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় ২৯ জুলাই রাতে ১২ জন সদস্য প্রেসক্লাব থেকে পদত্যাগ করেছে বলে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে দুই দফায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। কিন্তু পদত্যাগী ওই সদস্যদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অনেকেই বিষয়টি জানেনা বলে জানান এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এদিকে সভাপতি পদ শূণ্য হলে বিধি ও গঠনতন্ত্র মোতাবেক একজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিয়ে উক্ত পদে উপ-নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। উপ-নির্বাচনে রিটার্ণিং অফিসারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কামালুর রহিম সমরের নিকট থেকে ৪ জন সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র কিনেন। মনোনয়ন ক্রয়কারী ব্যক্তিরা হলেন, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. আলী হোসেন, সদ্য পদত্যাগকারী প্রেসক্লাবের সদস্য মোহনা টিভির প্রতিনিধি মামুনুর রশিদসহ ৪ জন। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে মো. আলী হোসেন ব্যতিত আর কেউ মনোনয়ন দাখিল না করায় তিনি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন।
কিন্তু পদত্যাগিরা তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, সভাপতি পদে গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। তাদের এসব মিথ্যাচার এবং অপপ্রচারে প্রশাসন এবং পাঠক মহলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদুল ইসলাম।