বৃহস্পতিবার ২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবডির নতুন সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ডাকাতি মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার চন্দ্রগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের লোক দেখানো অভিযানে ধরাছোঁয়ার বাইরে ডিলাররা তারেক রহমানের সঙ্গে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রতাপিয়ানদের দাপট, ৩৮টি পুরস্কার অর্জন লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এ্যানি-খায়েরসহ ৪৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল বাংলাদেশের ৪ ভিসাকেন্দ্র বন্ধ ভারতে, কলকাতায় বিক্ষোভ ডিসি-এসপিদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি

হঠাৎ করে বেশি ঘাম বিশেষ রোগের উপসর্গ!

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

গরম পড়লে কিংবা পরিশ্রম করলে ঘাম হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু ধরুন একই পরিবেশে আপনার পাশের ব্যক্তির চেয়ে আপনি অনেক বেশি ঘামছেন। তাহলে চিন্তার কারণ আছে বইকি! কারণ অতিরিক্ত ঘামের পিছনে লুকিয়ে থাকতে পারে কোনো বিশেষ রোগের উপসর্গ। তাই অবহেলা না করে আপনার অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

কখন কারণ খুঁজবেন?

এমন হতেই পারে, কেউ ছোট বয়স থেকেই ভীষণ ঘামে। এতে খুব বেশি দুশ্চিন্তার কিছু নেই। তবে যদি হঠাৎ করে শরীরে ঘাম বেশি হতে শুরু করে, বেশি ঘেমে যাচ্ছেন বলে মনে করেন তাহলে অবশ্যই ঘাম হওয়ার পিছনে কারণ থাকবে। এই লক্ষণ অবশ্যই কোনো শারীরিক অসুস্থতার বার্তাবহ।

বেশি ঘাম হওয়ার কিছু কারণ হলো –

১. সাধারণত শরীরের মেটাবলিজম রেটের উপর ঘাম হওয়া নির্ভর করে। শরীরে মেটাবলিজম বেশি থাকলে বেশি ঘাম হয়। এছাড়া বেশি পরিশ্রম করলেও ঘাম হওয়া খুব স্বাভাবিক।
২. হঠাৎ বেশি ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। অনেক সময় হার্টের কোনো সমস্যা থাকলে রোগীর বেশি ঘাম হতে পারে।
৩. ডায়াবেটিসে রোগীর রক্তে শর্করা কমে গেলে ঘাম হতে পারে।
৪. ব্লাড প্রেশার হঠাৎ বেড়ে গেলেও রোগী বেশি ঘামতে শুরু করেন।
৫. অনেক সময় অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণে ঘাম হয়। উদ্বেগে হরমোনের ভারসাম্য ব্যাহত হয়। তাই যাঁরা মানসিক চাপে থাকেন তাঁদের বেশি ঘাম হতে পারে।
৬. মেনোপজের সময় অনেক মহিলার বেশি ঘাম হতে দেখা যায়।
৭. রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়লেও এমন হতে পারে।

ঘামের সঙ্গে যেহেতু সোডিয়াম, পটাশিয়াম বাই-কার্বোনেট বেরিয়ে যায়, ফলে শরীর দুর্বল ও অস্থির হয়ে যায় তাই জলের সঙ্গে নুন, চিনি, পাতিলেবু মিশিয়ে সরবত খেলে ভালো হয়। গরমে দইয়ের ঘোল ও ডাব খেতে পারেন। কোল্ড ড্রিংকসের পরিবর্তে ফ্রেশ ফ্রুট জুস ও টাটকা ফল খান।

ভিটামিন বি-১২’এর অভাবে যেহেতু হাইপারহাইড্রোসিস হয় তাই বি-কমপ্লেক্স যুক্ত খাবার খান। পাশাপাশি থাইরয়েড হয়েছে কি না তা রক্ত পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত। আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন- এসপারাগাস, ব্রকোলি, রেড মিট, সাদা পিঁয়াজ, খাবার লবণ যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত। চা-কফি কম খেতে হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জানুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ডিসেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১