বৃহস্পতিবার ২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার কফিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবডির নতুন সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ডাকাতি মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার চন্দ্রগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের লোক দেখানো অভিযানে ধরাছোঁয়ার বাইরে ডিলাররা তারেক রহমানের সঙ্গে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রতাপিয়ানদের দাপট, ৩৮টি পুরস্কার অর্জন লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এ্যানি-খায়েরসহ ৪৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল বাংলাদেশের ৪ ভিসাকেন্দ্র বন্ধ ভারতে, কলকাতায় বিক্ষোভ ডিসি-এসপিদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি

গরমে এসি ছাড়াই যেভাবে ঘর ঠাণ্ডা রাখবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

কয়েকদিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এসি বা এয়ার কন্ডিশনার যারা যেন ঘরের ভেতরে থাকাই যায় না। কিন্তু সবার বাড়িতে তো আর এসি নেই। আবার এসি থাকলেও লোডশেডিংয়ের কারণে এর শতভাগ সুবিধা পাওয়া নিয়ে মুশকিলে পড়তে হয়। তার ওপর মাস শেষে মোটা অঙ্কের বিদ্যুৎ বিলের চাপ তো আছেই। তবে আপনি চাইলে বিশেষ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রাকৃতিক উপায়ে এসি ছাড়াই ঘর ঠাণ্ডা রাখতে পারেন।

এয়ার কন্ডিশনার ছাড়াই যেভাবে ঘরকে ঠাণ্ডা রাখবেন:-

– ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকেই ঘরের ভেতর গাছ রেখে থাকেন। অনেকেরই বারান্দায় ছোট বাগান করার শখ থাকে। ঘরের ভেতর জানালার কাছে বা বারান্দায় গাছ রাখলে তা বাইরের গরম তাপ শুষে নেয়। সম্ভব হলে বাড়ির বাইরের দিকেও গাছ লাগানো উচিত। এতে করে বাইরের যত গরম তাপ বাড়ির দেয়ালের বাইরে অংশেই রয়ে যায়। অন্যদিকে ঘরের ভেতরটা শীতল থাকে।

– দিনের বেলায় জানালা বন্ধ রেখে পর্দা টেনে দিতে হবে। এতে করে ঘরের মধ্যে সরাসরি সূর্যালোকের প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হবে। সেই সাথে ফ্যান চলতে থাকলে দিনের অস্বস্তিকর গরম কিছুটা হলেও কমে যাবে।

– গরমকাল আসার সাথে সাথেই ঘরের সাটিন ও পলিস্টারের বিছানার চাদর বদলে ফেলা উচিত। এর জায়গায় ব্যবহার করতে হবে সুতি বা লিনেনের কাপড়। এগুলো অবশ্যই হালকা রঙের হতে হবে। হালকা রঙের কাপড় তাপ প্রতিফলন করার মাধ্যমে ঘরের তাপমাত্রা সহনীয় রাখতে সাহায্য করে।

– ঘরে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করুন। এলইডি বাল্বগুলো টিউব লাইট থেকেও ঘরকে শীতল রাখতে বেশি কার্যকর। এছাড়া খুব প্রয়োজন না হলে ঘরের বাতি নিভিয়ে রাখাই উত্তম। অন্ধকার ঘর তাপ ছড়ায় না এবং বেশি সময় ধরে ঘরে ঠাণ্ডা থাকে।

– বাইরের খর তাপ থেকে ঘরকে বাঁচানোর জন্য জানালা বা বারান্দায় বাশের পর্দা লাগাতে পারেন। এই পর্দাগুলো মাঝ দুপুরেও ঘরকে অনেক ঠাণ্ডা রাখে।

– রান্নার সময় এক্সহস্ট ফ্যান চালু রাখতে পারেন। এক্সহস্ট ফ্যান ঘরের ভেতরের গরম হাওয়া বাইরে বের করে দেয়।

– মাঝ দুপুরে তাপ অনেকটা চড়ে গেলে ভেজা কাপড় দিয়ে সারা ঘরের মেঝে মুছে ফেলতে হবে। এরপর ফ্যান ছেড়ে দিলে ঘরের উষ্ণতা অনেকটা কমে যাবে। ঘরের মোছার পানিতে অল্প পরিমাণ লবণ গুলিয়ে নেওয়া ভালো। লবণ-পানি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

– শীত-গ্রীষ্ম কোনো ঋতুতেই ঘর গোছানোর কোনো বিকল্প নেই। তবে গরমের দিনগুলোতে অপরিচ্ছন্নতা ঘরের উষ্ণতা আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই ঘর সবসময় গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করুন।

– টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে এক বালতি বরফ রাখতে পারেন। এক বালতি বরফ টুকরো টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে রেখে দিলে ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা বাতাস ঘরময় ছড়াতে শুরু করে। এসির মতোই এক্ষেত্রেও ঘরের দরজা-জানালা খোলা রাখা যাবে না।

– গরম আসার আগেই ভেন্টিলেটর পরিষ্কার করতে হবে। ভেন্টিলেটর ঘরকে ঠাণ্ডা রাখতে কাজে লাগে। যাদের বাসায় ভেন্টিলেটর আছে, তাদের অবশ্যই গরমকাল আসার আগে তা ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জানুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ডিসেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১